পাওনা টাকা পরিশোধের সঙ্গে লভ্যাংশের কোনো সম্পর্ক নেই : জিপি সিইও
বিটিআরসির দাবি করা পাওনা টাকা পরিশোধের সঙ্গে লভ্যাংশের কোনো সম্পর্ক নেই। একইসঙ্গে ২৩ বছরে গ্রামীণফোন যে নেটওয়ার্ক কাভারেজ তৈরি করেছে তাতে গ্রাহকরা সেবা পেতে কোনো বাধার সম্মুখীন হবে না।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের এক হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানালেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান।
সরকারের বকেয়া পরিশোধের কারণ গ্রামীণফোন লভ্যাংশের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে কি না প্রশ্নের জবাবে ইয়াসির আজমান বলেন, বিটিআরসির দাবি করা পাওনা টাকা পরিশোধের সঙ্গে লভ্যাংশের কোনো সম্পর্ক নেই। যদি এটার (বিটিআরসির দাবি করা বকেয়া টাকার সমস্যা) আমরা দ্রুত সমাধান করতে পারি তাহলে এ ধরনের কোনো প্রশ্ন আসবে না। আর লভ্যাংশ সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়। একটি পলিসি ফলো করে এটি করা হয়।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) সঙ্গে বকেয়া নিয়ে চলমান দ্বন্দ্ব এবং সিম সংকট সমাধানে গ্রামীণফোনের কোনো অগ্রগতি হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন,“সিম রিসাইকেল করার জন্য বিটিআরসির অনুমতি পাওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া সিম নষ্ট হলে রিপ্লেসমেন্টের জন্যও সিম পাওয়া যাবে না। সিম রিসাইকেলের জন্য এরই মধ্যে ৩০ লাখ সিম জমা আছে।”
তিনি আরো বলেন, “এনওসি সমস্যা সমাধানে কোনো অগ্রগতি হয়নি। নতুন গ্রাহকদর কাছে সিম বিক্রির ক্ষেত্রে আমরা সমস্যার মুখোমুখি হবো। সুতরাং সামনে আমাদের সমস্যা হবে যদি আমরা এটির সমাধান করতে না পরি। নতুন গ্রাহক পাওয়া যাবে না। কারণ সিম থাকবে না।”
“তবে বর্তমান গ্রাহকদের ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। তাদের সিম রিপ্লেসমেন্টেও কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু প্রায় ৫০ হাজার কাস্টমার (গ্রাহক) প্রতিদিন আসে। এই গ্রাহকদের জন্য সমস্যা হবে। তবে আমরা আশা করছি এ সমস্যার সমাধান হবে”- যোগ করেন তিনি।
এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে ইয়াসির আজমান বলেছিলেন, আমাদের হাতে কোনো সিম নেই। খুচরা বিক্রেতাদের হাতে কিছু সিম রয়েছে। সেগুলো শেষ হলে আর সিম পাওয়া যাবে না।